চিয়াসীড/Chia seeds
চিয়াসিড মূলত মেক্সিকো ও গুয়াতেমালার স্থানীয় “Salvia hispanica” নামক গাছের বীজ। প্রাচীন অ্যাজটেক ও মায়া সভ্যতা খাদ্য ও ঔষধ হিসেবে চিয়াসিড ব্যবহার করত। বর্তমানে, চিয়াসিড বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় “সুপারফুড” হিসেবে পরিচিত।
উপকারিতা:
পুষ্টি: চিয়াসিডে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড ও LDL (খারাপ) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে: চিয়াসিড রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
ওজন নিয়ন্ত্রণে: চিয়াসিডে প্রচুর ফাইবার থাকায় পেট ভরা অনুভূতি হয় ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
হজমশক্তি উন্নত করে: ফাইবার পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।
হাড়ের স্বাস্থ্য: চিয়াসিডে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে যা হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে ও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী: চিয়াসিডে ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বক ও চুলকে ময়েশ্চারাইজ করে ও ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে।
খাওয়ার নিয়ম:
চিয়াসিড সহজেই খাদ্যের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
জল, দুধ, ফলের রস: চিয়াসিড 10-15 মিনিট ভিজিয়ে জেল-এর মতো করে খাওয়া যায়। চিয়াসিড স্যালাড, দই ও স্মুদিতে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
মিষ্টি: চিয়াসিড দিয়ে পুডিং, মিষ্টি, ব্রেড ও মফিন তৈরি করা যায়।
দৈনিক পরিমাণ:
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য 1-2 টেবিল চামচ (10-20 গ্রাম) চিয়াসিড দৈনিক খাওয়া নিরাপদ।
শুরুতে কম পরিমাণে খেয়ে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ান।
Customer reviews
Reviews
There are no reviews yet.
Write a customer review